সেরিব্রাল পালসি
Cerebral Palsy
লক্ষণসমূহ
- বসা, হামাগুড়ি বা হাঁটা শিখতে দেরি
- শরীরের পেশি খুব শক্ত বা খুব ঢিলা
- অস্বাভাবিক নড়াচড়া বা ভারসাম্যে সমস্যা
- খাবার গিলতে ও কথা বলতে অসুবিধা
- কারও কারও খিঁচুনি বা শেখায় সমস্যা
কারণসমূহ
- গর্ভে থাকা অবস্থায়, প্রসবের সময় বা জন্মের পরপর শিশুর মস্তিষ্কে আঘাত বা ক্ষতি
- সময়ের আগে জন্ম ও কম ওজনে জন্ম
- প্রসবের সময় শিশুর অক্সিজেনের অভাব
- গর্ভাবস্থায় মায়ের সংক্রমণ
- জন্মের পর গুরুতর জন্ডিস, মস্তিষ্কের সংক্রমণ বা মাথায় আঘাত
প্রতিরোধ
- গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চেকআপ করানো
- হাসপাতাল বা প্রশিক্ষিত দাইয়ের সাহায্যে নিরাপদ প্রসব
- নবজাতকের জন্ডিস বা সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা
- শিশুকে সব টিকা দেওয়া ও মাথায় আঘাত থেকে রক্ষা করা
চিকিৎসা
সেরিব্রাল পালসি পুরোপুরি সারে না, তবে সময়মতো সহায়তা পেলে শিশু অনেক কিছু শিখতে ও স্বাধীনভাবে চলতে পারে। ফিজিওথেরাপি, কথা বলার থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, প্রয়োজনে ওষুধ বা অপারেশন—কোনটি লাগবে তা বিশেষজ্ঞ দল ঠিক করবেন। পরিবারের সহায়তা খুব জরুরি।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
শিশু বয়স অনুযায়ী ঘাড় শক্ত করা, বসা বা হাঁটায় পিছিয়ে থাকলে, বা শরীর খুব শক্ত বা খুব নরম মনে হলে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখান। খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, খাবার গিলতে গিয়ে বারবার কাশি বা দম আটকে যাওয়া হলে দ্রুত হাসপাতালে যান।