শীতজনিত শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া (হাইপোথার্মিয়া)
Hypothermia (Cold Exposure)
লক্ষণসমূহ
- শরীর খুব ঠান্ডা ও তীব্র কাঁপুনি
- ত্বক ফ্যাকাশে, ঠান্ডা ও শুকনো; ঠোঁট নীলচে
- কথা জড়িয়ে যাওয়া ও বিভ্রান্তি
- খুব ঘুম ঘুম ভাব ও দুর্বলতা
- শিশুর শরীর ঠান্ডা, নিস্তেজ ও দুধ খেতে না চাওয়া
কারণসমূহ
- তীব্র শীত বা শৈত্যপ্রবাহে পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকা
- ভেজা কাপড়ে দীর্ঘক্ষণ থাকা বা ঠান্ডা পানিতে পড়ে যাওয়া
- বয়স্ক, নবজাতক ও অসুস্থ মানুষের বেশি ঝুঁকি
- খালি পেটে থাকা বা মদ্যপান
প্রতিরোধ
- শীতে কয়েক স্তরে গরম কাপড়, টুপি, মোজা পরা
- নবজাতককে মাথা ঢেকে উষ্ণ রাখা ও মায়ের বুকে ত্বকে ত্বক লাগিয়ে রাখা
- ভেজা কাপড় দ্রুত বদলে ফেলা
- গরম খাবার ও পানীয় খাওয়া
- একা থাকা বয়স্ক প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া
চিকিৎসা
রোগীকে গরম জায়গায় নিন, ভেজা কাপড় খুলে শুকনো কাপড় ও কম্বলে মুড়িয়ে দিন, মাথাও ঢেকে দিন। সজাগ থাকলে গরম (তবে খুব গরম নয়) পানীয় দিন। আগুনে সেঁকা, গরম পানিতে ডোবানো বা হাত-পা ঘষা যাবে না। গুরুতর হলে হাসপাতালে চিকিৎসা লাগে, যা ডাক্তার ঠিক করবেন।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
শীতে কোনো বয়স্ক মানুষ বা শিশুর শরীর ঠান্ডা থাকছে ও দুর্বল লাগছে এমন হলে দ্রুত ডাক্তার দেখান। কথা জড়িয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি, কাঁপুনি থেমে গিয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়া, শ্বাস ধীর হওয়া, অজ্ঞান হওয়া, বা নবজাতক ঠান্ডা ও নিস্তেজ হলে এখনই হাসপাতালে যান বা ৯৯৯-এ কল করুন।