প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা

Urinary Incontinence

লক্ষণসমূহ

  • কাশি, হাঁচি, হাসি বা ভারী কিছু তোলার সময় প্রস্রাব বেরিয়ে যাওয়া
  • হঠাৎ তীব্র বেগ এবং বাথরুমে পৌঁছানোর আগেই প্রস্রাব হয়ে যাওয়া
  • ঘন ঘন প্রস্রাব, রাতেও
  • ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব পড়তে থাকা

কারণসমূহ

  • প্রসবের পর তলপেটের পেশি দুর্বল হওয়া
  • মেনোপজ ও বয়স বাড়া
  • অতিরিক্ত ওজন
  • পুরুষদের প্রস্টেট বড় হওয়া
  • প্রস্রাবের সংক্রমণ, কোষ্ঠকাঠিন্য বা স্নায়ুর রোগ

প্রতিরোধ

  • তলপেটের পেশির ব্যায়াম (পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম) নিয়মিত করা
  • স্বাস্থ্যকর ওজন রাখা
  • চা-কফি ও কোমল পানীয় কম খাওয়া
  • কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানো
  • ধূমপান না করা

চিকিৎসা

এটি লজ্জার বিষয় নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসায় ভালো হয়। তলপেটের পেশির ব্যায়াম ও মূত্রথলি প্রশিক্ষণ দিয়ে শুরু করা হয়। প্রয়োজনে ওষুধ বা অপারেশন লাগতে পারে, যা ডাক্তার ঠিক করবেন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারায় দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা হলে ডাক্তার দেখান। প্রস্রাবে রক্ত, জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা থাকলে দ্রুত দেখান। প্রস্রাব একেবারে বন্ধ হয়ে তলপেট ফুলে ব্যথা হলে, বা হঠাৎ প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ার সাথে পা অবশ বা দুর্বল হলে এখনই হাসপাতালে যান।

প্রস্তাবিত বিশেষজ্ঞ

ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ